জাতীয় রাজনীতিতে বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিলো বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে কোনো ঐক্য সরকার গঠন করা হবে না। তিনি বলেন, বিএনপি এককভাবে সরকার গঠনের শক্তি রাখে এবং তেমন অভিপ্রায় আড়ালেও রাখা হবে না।
এতে তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য শক্তিশালী অবস্থানে আছে এবং তাঁরা নিজেদের দিকে থেকে সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। এ সময় তিনি জামায়াতসহ অন্যদের প্রশ্নবিদ্ধ করে বলেন, “আমি কীভাবে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে সরকার গঠন করব? তাহলে বিরোধীদলই বা কে হবে?
তিনি আরও বলেন, যদি জামায়াত বিরোধীদল হিসেবে থাকে, তিনি আশা করেন তারা “একটি গঠনমূলক বিরোধীদল” হিসেবে কাজ করবে।
বিখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ দিন পর জামায়াত আবার রাজনৈতিক ধরনায় এসেছে এবং বিএনপি‑জামায়াত সম্পর্ক নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। ২০০১‑২০০৬ সালের জোট সরকারকে স্মরণ করে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই বার পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
তারেক রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি কোন আন্তর্জাতিক দিকটি দেশের জন্য লাভজনক হবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ যদি সরকারে আসে, আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। ব্যবসা উন্নত করতে হবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেই বন্ধুত্ব করতে হবে, কোন একক দেশের সঙ্গে নয়।”
সাক্ষাৎকারে এমনও প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানরা রাজনীতিতে ফিরতে পারবে কি না; এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হন, তাহলে প্রতিওপেক্ষা ছাড়াই রাজনীতিতে আসার অধিকার রয়েছে।”
