নিজস্ব প্রতিবেদন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন “আমি কোন ট্রামকার্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছি না। হিন্দুদেরও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিনিধিত্ব করা দরকার। যদি মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠায়, আমি হিন্দুদের পক্ষে কথা বলব এবং তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করব।”
আজ বৃহস্পতিবার তিনি সংবাদ দাবি করেন, হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ায় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি শিপন বসুকে ‘ব্ল্যাকমেইলার’ এবং ‘আন্তর্জাতিক চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তিনি বলেন, “ভারত থেকে অবস্থান করে শিপন বসু আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বারবার ফোনে হুমকি দিয়েছে এবং প্রশ্ন তুলেছে কেন হিন্দু হয়ে আমি এ সংগঠনে যোগ দিয়েছি। তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছেন, জীবননাশের হুমকি দিয়েছেন এবং ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার জনপ্রিয়তা ও মনোনয়ন পাওয়ায় ঈর্ষান্বিত একটি মহল এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। কৃষ্ণ নন্দী বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ সাজানো, ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যমূলক।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি হিন্দু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি কোন ট্রামকার্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছি না। হিন্দুদেরও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিনিধিত্ব করা দরকার। যদি মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠায়, আমি হিন্দুদের পক্ষে কথা বলব এবং তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করব।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আমির মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, এ উপজেলার নায়েবে আমির মাওলানা আশরাফ আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন খুলনা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি আল আমিন গোলদার, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতনী কমিটির সভাপতি হরিদাস মন্ডল, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ মন্ডল, ঢাকাস্থ খুলনা ক্লাবের সভাপতি সরদার আব্দুল ওয়াদুদসহ প্রমুখ।
