নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার এই প্রথম জাতীয় ছাত্র শক্তি খুলনা জেলায় কমিটি আত্মপ্রকাশ করে। ৬৬ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটির অনেকেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছে। অসন্তোষ একাধিক সদস্য। কমিটি স্থগিত করার দাবি এ অংশের।
দলের যুগ্ম আহবায়ক মহরম হাসান মাহিম ও তার অনুসারীরা কেন্দ্রে প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন। যার অনুলিপি দেওয়া হয়, সাংগঠনিক সম্পাদক দক্ষিণ অঞ্চল ও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদককে।
প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতির স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। আমাদের চিন্তাচেতনা, দায়িত্ববোধ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির খুলনা জেলা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অযাচিত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে পক্ষপাতদুষ্ট, অস্বচ্ছ ও পকেট নির্ভর একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা ছাত্রসমাজের আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সংগত মূল্যায়নের সম্পূর্ণ বিপরীত।
দাবি করা হয়, ঘোষিত খুলনা জেলা কমিটি অবিলম্বে স্থগিতর। প্রতিবাদকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই-আগষ্টের আন্দোলনে কারাবরণও করেন। ছিলেন ভিপি নূরের নেতৃত্বাধীন দল গন অধিকার পরিষদেও ছাত্র সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদে। তারই সময়ে সেখানের জেলা কমিটিতে একদফা ভাঙ্গন দেখা দেয়। ঝুঁকে পড়েন নবগঠিত ছাত্র শক্তিতে। এখানে সম্মানজনক স্থান না পাওয়ায় বিদ্রোহ করেন।
খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফারিনা বিনতে জিগার ফারিনা জানান, খুলনায় অনেক বিপ্লবীরা ছিল, যারা বহুমাত্রিক বিপ্লবি। একই পদে একাধিক বিপ্লবি ও যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী ছিল। সকলকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী পদ দেয়া সম্ভব হয়নি। কমিটিতে কিছুটা ভূল ত্রæটি ছিল। যার জন্য তাদের চেয়ে আমরা বেশি কষ্ট পাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সামনে নির্বাচন, আমাদের খুব কম সময়ের মধ্যে কমিটি দিতে হয়েছে। আগামিতে কাউন্সিল করে কমিটি দেয়া হবে। আশা করি তখন কোন প্রশ্ন থাকবে না।
