নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তের কাছের জেলা খুলনায় ভাসমান পতিতা ও আবাসিক হোটেলে অবৈধ মিলন থেকে এইডস দ্রুত ছড়াচ্ছে। আক্রান্তদের সিৎহ ভাগই তরুণ। ২৫-৪০ এর কোটায় তাদের বয়স । আক্রান্ত’র পেছনের কারণ ৯০ শতাংশ অনিরপদ যৌন সম্পর্ক । বাকি ১০ শতাংশ আক্রান্ত হচ্ছে স্ক্যানিং বিহীন রক্ত থেকে। অনুমোদন বিহীন অধিকাংশ ক্লিনিকে রক্ত স্ক্যানিং এর ব্যবস্থা নেই। ক্লিনিকের সরবরাহকৃত রক্ত অনিরাপদ।
নগরীর নতুনবাজার , জেলা স্টেডিয়াম মার্কেট, হাদিস পার্ক এলাকা, শিববাড়ী মোড়, গল্লামারী, জিরো পয়েন্টে ভাসমান প্রতিতাদের দেখা মেলে। এদের পেছনে একশ্রেণীর দালার থাকে। আবাসিক হোটেল,বটিয়াঘাটা উপজেলা রিসোর্ট সেন্টরে অবৈধ মিলন হয় । আবাসিক হোটেল এ তরুণ তরুণীরা সকাল থেকে দুপুর অবধি আবস্থান করে। স্কুল কলেজ পড়ুয়ারা অবাধে মেলামেশা করে। পীর খান জাহান আলী (রঃ) সেতুর আশেপাশেও এমন আশ্রয় স্থল আছে।
জেনারেল হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক তথ্য দিয়েছেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এবছরের অক্টোবর পর্যন্ত নয় জনের শরীরে এইচআইভি সনাক্ত হয়। তার মধ্যে আট জন পুরুষ। তারা এ স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে বলেছে আনিরাপদ যৌন মিলন থেকে এ দূরারোগ্য ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে। এই সূত্রের দাবি সিভলিস থেকেও এর জীবানু ছড়াচ্ছে । শুধুমাত্র এ হাসপাতালে প্রতিবছর গড়ে ৭ জনের শরীরে এর জীবানু পাওয়া যায়।
এরোগের চিকিৎসাও ব্যায়বহুল । সরকারি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হতে বিনা মূল্যে চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ করা হয়। খুমেক হাসপাতলেও এ সুবিধা রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে এ সুবিধা নেই। বেসরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা ব্যায়বহুল হওয়ায় এ রোগীরা মুখ ফিরিয়ে নেয়।
জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম গাজী প্রসঙ্গ নিয়ে বলেছেন, আক্রান্তদের বয়স ২৫-৪০ এর কোটায়। জেলায় এইচআইভি জীবানু পাওয়ার পেছনে কারণ হচ্ছে অনিরাপদ যৌন মিলন। ক্ষেত্র বিশেষ রক্তদাতার শরীরে এজীবানু থাকায় স্ক্যানিং বিহিন রক্ত অন্যের শরীরে প্রবেশ করার মধ্য দিয়েও আক্রান্ত হচ্ছে। স্ত্রী আক্রান্ত হলে স্বাভাবিক ভাবেই স্বামী এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। এইচআইভি বহনকারী গর্ভবতী মায়ের সন্তানও জন্ম থেকে এ জীবানু বহন করে।
