খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে বড়দিনের উৎসব শুরু হয়েছে। গগণ বাবু রোডস্থ খ্রীষ্টান পাড়া ও মরিয়ম পাড়ায় স্টার সানডে শোভা পাচ্ছে। কবরখানাগুলোতে পরিচ্ছনতা চলছে। নগরীর ২৯ টি গীর্জা ও চার্চে বড়দিনের আয়োজন শেষ হয়েছে।
খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিস্ট ২৫ ডিসেম্বর বেথেলহেমে জনগ্রহণ করেন। স্রষ্টার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে তিনি জন্মছিলেন পৃথিবীতে। দিনটিকে কেন্দ্র করে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা পালন করেন বড়দিনের উৎসব। বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে এবং নানা আয়োজনে পালিত হয় বড়দিন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না। নানা আয়োজনে বড়দিনের উৎসব পালন করছেন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা।
নগরীর গীর্জাগুলো হচ্ছে, বাবুখান রোডের সেন্ট যোসেফস্ ক্যাথিড্রাল চার্চ, নতুন বাজারের কয়লাঘাটা ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, টি, বি, ক্রস রোডের চার্চ অফ দ্যা ন্যাজ্যারীন ইন্টাঃ, চর কলোনী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, দক্ষিণ টুটপাড়ার মতিয়াখালী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, সাধু যাকোবের গীর্জা, খ্রীষ্টিয় মন্ডলী, শালোম এ জি চার্চ, সেভেন ডে এ্যডভ্যানটিষ্ট, চার্চ, ফেলোশীপ চার্চ, ছোট বয়রা ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, সাধু যোষেফের গীর্জা, সোনাডাঙ্গা ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, প্রভূ যীশুর গীর্জা, সাদু মিখাইলের গীর্জা, গল্লামারী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, গল্লামারী এ.জি চার্চ, খ্রীষ্ট রাজের গীর্জা, সেন্ট মেরীস ক্যাথলিক চার্চ, দক্ষিণ খালিশপুর ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, খালিশপুর ক্যাথলিক চার্চ, মেথোডিষ্ট চার্চ, বড় বয়রা ক্যাথলিক চার্চ, দারিদ্র মা মারিয়া ক্যাথলিক চার্চ, মহেশ্বরপাশা ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ, নিউ লাইফ এ.জি. চার্চ, কালভেরী এপোষ্টলিক চার্চ, যোহন বাপ্তাইজকের গীর্জা ও দৌলতপুর ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ।
খ্রীষ্টান অ্যাসোসিয়েশন, খুলনা শাখার সাধারণ সম্পাদক গাব্রিয়েল বিশ্বাস প্রসঙ্গ নিয়ে বলেছেন, সেন্ট জোসেফস, সোনাডাঙ্গা ব্যাপ্টিষ্ট ও মুজগুন্নিতে কাল রাত সাড়ে দশটা থেকে প্রার্থনা শুরু হবে। বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় অনূরুপ প্রার্থনা হবে। রঙিন কাগজ, ফুল ও আলোর বিন্দু দিয়ে দৃষ্টিনন্দন ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হবে। বর্ণাঢ্য সাজসজ্জার পাশাপাশি অনেকের বাড়িতেই বসানো হবে প্রতীকী গোশালা। বেথলেহেমের গরিব কাঠুরের গোয়ালঘরে যিশু খ্রিষ্টের জন্মের কথা স্মরণ করেই এই আয়োজন। এছাড়া ঘরে ঘরে বড়দিনের কেক তৈরি করা হয়।
প্রিয়খুলনা/কেএমআর
