আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার ১, ২, ৪, ৫ ও ৬ নং আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করেন। অপর ৩ নং আসনের প্রার্থীদের জন্য এই দায়িত্ব দেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের। এতে করে খুলনার ছয় আসনেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়েছে।
তবে খুলনা ৫ আসনের প্রার্থী জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কালো টাকা ছড়ানো, সন্ত্রাস ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে কঠোর অবস্থানে থাকা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, কিছু প্রার্থী প্রকাশ্যে সমাবেশ করছেন, প্রতীক প্রদর্শন করছেন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করছেন, অথচ এসব নিয়ে কোনো শোকজ বা নিষেধাজ্ঞা নেই। তিনি সব প্রার্থীর প্রতি সমান নজরদারির আহ্বান জানান।
এদিকে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত এক বছরে ৫২টি হত্যাকাণ্ড এবং ৫০টির বেশি লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। তিনি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, চেকপোস্ট স্থাপন ও শহরের ভিতরে সেনাবাহিনীর ছোট ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানান।
জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী মনিটর করা চ্যালেঞ্জিং হলেও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে কাজ করা হচ্ছে।
প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে এবং প্রার্থীরা আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন।
