খুলনা, বাংলাদেশ
মঙ্গলবার । ৩রা মার্চ, ২০২৬ । ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২
তোহফায়ে রমজানুল মোবারক জানতে ক্লিক করুন
  • Home  
  • মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিমান দুর্ঘটনায় নিহত
- আন্তর্জাতিক

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিমান দুর্ঘটনায় নিহত

ভারতের মহারাষ্ট্রের বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় দুর্ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ প্রকাশ করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বারামতি বিমানবন্দরের কাছে একটি ‘আনকন্ট্রোল্ড এয়ারফিল্ডে’ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘাঁটিটিতে নিয়মিত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল […]

ভারতের মহারাষ্ট্রের বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় দুর্ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ প্রকাশ করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বারামতি বিমানবন্দরের কাছে একটি ‘আনকন্ট্রোল্ড এয়ারফিল্ডে’ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘাঁটিটিতে নিয়মিত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল নেই। স্থানীয় ফ্লাইং স্কুলের পাইলটরাই ফ্লাইট ট্রাফিকসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করেন।

মন্ত্রলায়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাইলট ল্যান্ডিং ক্লিয়ারেন্সের ‘রিডব্যাক’ দেননি। এটি বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচলের একটি বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা প্রোটোকল। এঘটনাকে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ দিন সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই থেকে উড্ডয়ন করে ভিটিএস-এসকে নম্বরের লিয়ারজেট ৪৫। ৮টা ১৮ মিনিটে বিমানটি বারামতি বিমানবন্দরের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন করে। মুম্বাই থেকে বারামতির দূরত্ব প্রায় ২৫৬ কিলোমিটার। এ পথে সাধারণত ৪৫ মিনিটেরও কম সময় লাগে।

বিমানটি বারামতি থেকে ৩০ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৫৫.৬ কিমি) দূরে থাকাকালীন পুণে এটিসি থেকে স্থানীয় কন্ট্রোলের হাতে হস্তান্তর করা হয়। পাইলট ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠককে আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয় এবং নিজের বিবেচনায় অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি বাতাসের দিক ও দৃশ্যমানতা সম্পর্কে জানতে চান। এটি অবতরণের আগে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এ সময় দৃশ্যমানতা প্রায় ৩ কিলোমিটার ছিল। এটি বিশেষজ্ঞদের মতে অবতরণের জন্য যথেষ্ট।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বিমানটি রানওয়ে ১১-এ ফাইনাল অ্যাপ্রোচের কথা জানায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই পাইলট জানান, রানওয়ে চোখে পড়ছে না। সঙ্গে সঙ্গে গো-অ্যারাউন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিওর। গো-অ্যারাউন্ডের পর আবার ফাইনাল অ্যাপ্রোচের কথা জানানো হয়। এবার পাইলট রানওয়ে দৃশ্যমান বলে নিশ্চিত করেন। সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে বিমানটিকে ল্যান্ডিং ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে বিমানটি হঠাৎ করে ADS-B সিগন্যাল পাঠানো বন্ধ করে দেয়। সেই সময় বিমানটি বারামতি বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ছিল। তখন আনুমানিক ১ কিলোমিটার উচ্চতায় এবং ঘণ্টায় ২৩৭ কিমি গতিতে ছিল বিমানটি।

এরপর সকাল ৮টা ৪৬ মিনিট ২ সেকেন্ডে একটি হাইওয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে বিশাল আগুনের গোলা এবং কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। দমকল ও জরুরি পরিষেবা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময়ে রানওয়ের বাম দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাওয়া যায় বিমানের ধ্বংসাবশেষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিওতে দেখা যায় আগুন, ধোঁয়া এবং আতঙ্কিত স্থানীয়দের ভিড়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সম্পাদক ও প্রকাশক: মেহেদী কবীর সুমন

ইমেইল:  priyokhulna25@gmail.com 

যোগাযোগ:  ০১৭২৩৪৩৫৪৫০

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
©2025 priyokhulna all rights reserved